গতকাল হিলি বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি দোকানেই শুকনো মরিচের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও দাম ঊর্ধ্বমুখী। এক সপ্তাহ আগেও দেশী শুকনো মরিচ ২৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ৩২০ টাকা।
বাজারের শুকনো মরিচ বিক্রেতা শাকিল খান বলেন, ‘ভরা মৌসুম ও সরবরাহ ভালো থাকায় বেশ কিছুদিন শুকনো মরিচের দাম কম ছিল। বর্তমানে বাজারে শুধু পঞ্চগড়ের বিন্দু জাতের শুকনো মরিচের সরবরাহ রয়েছে। কিন্তু সে মরিচের মৌসুমও প্রায় শেষের দিকে। ফলে বাজারে আগের তুলনায় সরবরাহ খানিকটা কম। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বাড়তে শুরু করেছে মোকামে। মোকাম থেকে আমাদের বাড়তি দামে কিনতে হয়। তাই খুচরা পর্যায়ে এর প্রভাব পড়েছে।’
মজুদে থাকা শুকনো মরিচ যদি কৃষকরা বাজারে ছাড়তে শুরু করেন, তাহলে দাম কমে আসবে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর দিনাজপুরের কর্মকর্তা বোরহান উদ্দিন বণিক বার্তাকে বলেন, ‘বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কোন পণ্য কত দামে বিক্রি হচ্ছে তা তদারক করা হচ্ছে। কারো বিরুদ্ধে বাড়তি দাম নেয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে জরিমানাও করা হচ্ছে। জনস্বার্থে আমাদের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’